আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশের মিশনে বাংলাদেশ

আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশের মিশনে বাংলাদেশ

শক্তিশালী  ইংল্যান্ডের পর এবার  টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যে আগামীকাল জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সেরাটা উজার করে দিতে বদ্ধপরিকর বাংলাদেশ।

দুপুর ২টায় শুরু হওয়া ম্যাচটি টি স্পোর্টস চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

ইতোমধ্যে টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। বৃষ্টি আইনে প্রথম ম্যাচ ২২ রানে এবং দ্বিতীয়টি ৭৭ রানে জিতে নেয় টাইগাররা। দু’টি ম্যাচই বৃষ্টির কবলে পড়েছিলো। বৃষ্টির বাঁধাকে উপেক্ষা না থাকলে প্রথম দুই ম্যাচেই অসাধারন পারফরমেন্স করে বাংলাাদেশ।

Bangladesh-Cricket-team

পারফরমেন্সের ধারা অব্যাহত থাকলে টানা দুই সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করার নজির গড়বে বাংলাদেশ। এর আগে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছিলো তারা। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচের জয় বাংলাদেশের জন্য এই ফরম্যাটে ছিলো টানা পঞ্চম। এই ফরম্যাটে টানা ম্যাচ জয়ে এটি বাংলাদেশের জন্য সর্বোচ্চ। টানা জয়ের সংখ্যাটা বাড়িয়ে নেয়ার দারুন সুযোগ থাকছে টাইগারদের।

তবে টানা জয় বা অন্য টার্গেটের চেয়ে এই ফরম্যাটেও ওয়ানডের মত ব্র্যান্ড তৈরি করতে মুখিয়ে আছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে ফরম্যাটে নিজেদের অন্যতম শক্তিতে পরিণত করেছে টাইগাররা।

এই ফরম্যাটে সেরা দল হতে নির্ভিক ক্রিকেট খেলার উপর জোর দেন বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তিনি বলেন, ‘আমরা গত কয়েক ম্যাচের পারফরমেন্সের  ধারাবাহিকতা  ধরে রাখতে  চেয়েছিলাম এবং আমরা তা ভালোভাবেই করেছি। দুর্দান্ত দল হতে চাইলে   আমাদের সেভাবে খেলতে হবে এবং প্রথম বল থেকেই সেটি ফুটিয়ে তুলতে হবে। এটাই আমরা আলোচনা করেছি এবং আমরা যেভাবে খেলতে চাই।’

টি-টোয়েন্টির আগে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে বেশ কয়েকটি রেকর্ড ভেঙ্গেছে  বাংলাদেশ। একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যায়।

সেই ধারা অব্যাহ রেখে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও বেশ কয়েকটি রেকর্ড ভেঙেছে বাংলাদেশ। নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে প্রথমবারের মত টানা দুই ম্যাচে ২শর রান করতে সক্ষম  টাইগাররা। যদি পুরো ২০ ওভার খেলার সুযোগ পেত তবে নিজেদের সর্বোচ্চ ২১৫ রানের রেকর্ডটিও ভাঙতে পারতো বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৮ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম অর্ধশতকের রেকর্ড গড়েন ওপেনার লিটন দাস। ২০০৭ সালে করা মোহাম্মদ আশরাফুলের ২০ বলে দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙেন লিটন। রেকর্ড গড়া ইনিংসে ৪১ বলে ৮১ রান করেন লিটন। বল হাতে ২২ রানে ৫ উইকেট নেন অধিনায়ক সাকিব। দ্বিতীয়বারের মত সংক্ষিপ্ত ভার্সনে পাঁচ উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ শিকারী হন সাকিব।

লিটনের সাথে উদ্বোধনী জুটিতে দারুন পারফরমেন্স করছেন রনি তালুকদার। দুই ম্যাচেই আক্রমনাত্মক ইনিংস খেলেছেন তিনি। দ্বিতীয় ম্যাচে লিটনের সাথে ১২৪ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন রনি।

অন্য দিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সফরে পাঁচ ম্যাচের মধ্যে কোনটিতেই লড়াই করতে পারেনি আয়ারল্যান্ড। টি-টোয়েন্টিতে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে হলে আবহাওয়ার সহায়তা পেতে হবে আইরিশদের। ২০১২ সালের পর আবারও বাংলাদেশের কাছে হোয়াইওয়াশের মুখে পড়েছে আয়ারল্যান্ড।  

সিরিজ নিশ্চিত হওয়ায় একাদশে কিছু পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন সাকিব। সাথে এটিও পরিস্কার করেছেন, পরিবর্তন যাই হোক দলের মূল লক্ষ্য প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করা।

সাকিব বলেন, ‘একটি ভাল দল হলে  অস্ট্রেলিয়া বা ইংল্যান্ডের মতো  ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলে  তারা সবসময় ৩-০ ব্যবধানে জয়ের চেষ্টা করে। আমরাও একইভাবে চেষ্টা করবো। আমাদের আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই। আমরা হয়তো কয়েকজন নতুন খেলোয়াড়কে চেষ্টা করতে পারি কিন্তু তারাও ভালো করার জন্য মুখিয়ে থাকবে।’

বাংলাদেশ ‘খুব শক্তিশালী দল’ হিসেবে স্বীকার করেছেন আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক পল স্টার্লিং। তৃতীয় ম্যাচ একতরফা ম্যাচ হবে না বলে মনে করে আগামীকালের ম্যাচে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আশা করেন তিনি।

স্টার্লিং বলেন, ‘আমাদের দল নির্বাচন নিয়ে ভাবতে হবে। শুক্রবার আমাদের অব্যবহৃত উইকেট থাকবে এবং আশা করি আমরা এক ধাপ এগিয়ে থাকবো।

বাংলাদেশ দল : সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), লিটন দাস, রনি তালুকদার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন ও জাকের আলী অনিক।

আয়ারল্যান্ড দল : পল স্টার্লিং (অধিনায়ক), মার্ক অ্যাডায়ার, রস অ্যাডায়ার, কার্টিস ক্যাম্পার, গ্যারেথ ডেলানি, জর্জ ডকরেল, গ্রাহাম হুম, ম্যাথিউ হামফ্রেস, ব্যারি ম্যাকার্থি, কনর অলফার্ট, হ্যারি টেক্টর, লরকান টাকার, বেন হোয়াইট ও ক্রেইগ ইয়ং।

টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক সাকিব

টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক সাকিব

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।  নিউজিল্যান্ডের টিম  সাউদিকে হটিয়ে শীর্ষ উইকেট শিকারী এখন  সাকিব।

sakib

আজ চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ ওভারে ২২ রানে ৫ উইকেট নেন সাকিব। এতে নিউজিল্যান্ডের পেসার টিম সাউদিকে সরিয়ে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হয়ে যান সাকিব।

১১৪ ম্যাচে সাকিবের উইকেট এখন ১৩৬টি। ১০৭ ম্যাচে সাউদি আছে ১৩৪ উইকেট।   ৮০ ম্যাচে ১২৯ উইকেট নিয়ে তালিকার তৃতীয়স্থানে আছেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক ও স্পিনার রশিদ খান।

লিটন-সাকিব নৈপুন্যে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ

লিটন-সাকিব নৈপুন্যে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ

ওপেনার লিটন দাসের দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির পর অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের আগুন বোলিংয়ে এক ম্যাচ বাকী রেখে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো স্বাগতিক বাংলাদেশ।

লিটন-সাকিব

সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ৭৭ রানে হারিয়েছে আয়ারল্যান্ডকে। নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে রান বিবেচনায়  দ্বিতীয় বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে টাইগাররা। সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সাকিবের দল।

ব্যাট হাতে বাংলাদেশের পক্ষে ১৮ বলে দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন লিটন। ৪১ বলে ৮৩ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন লিটন। বল হাতে ২২ রানে ৫ উইকেট নেন সাকিব।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে এ ম্যাচেও টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস হবার ১০ মিনিট পর বৃষ্টি শুরু হলে নির্ধারিত সময়ে শুরু হতে পারেনি ম্যাচটি। বৃষ্টির কারনে ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট নষ্ট হওয়ায় ম্যাচটি ১৭ ওভারে নির্ধারিত হয়।

ব্যাট হাতে নেমে বাংলাদেশকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার লিটন ও রনি তালুকদার। ৩ দশমিক ৩ ওভারে বাংলাদেশের রান ৫০ স্পর্শ করেন তারা। যা টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম ৫০ রান বাংলাদেশের। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে ১ রান নিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দশম হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন লিটন। এজন্য ১৮ বল খেলেন তিনি। ২০০৭ সালে ২০ বলে করা মোহাম্মদ আশরাফুলের রেকর্ড ভেঙ্গে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির নজির গড়েন লিটন।

লিটনের রেকর্ড হাফ-সেঞ্চুরিতে পাওয়ার প্লেতে ৮৩ রান পায় বাংলাদেশ। অষ্টম ওভারের প্রথম বলে বাংলাদেশের রান ১শ স্পর্শ করে। দশম ওভারের দ্বিতীয় বলে ভাঙ্গে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। আয়ারল্যান্ডের লেগ স্পিনার বেন হোয়াইটের বলে লং-অনে মার্ক অ্যাডায়ারকে ক্যাচ দেন রনি। ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৩ বলে ৪৪ রান করেন রনি। উদ্বোধনী জুটিতে ৫৬ বলে ১২৪ রান তুলেন লিটন-রনি। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের পক্ষে উদ্বোধনী জুটিতে নয়া রেকর্ড এটি। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৪৩ বলে ৯১ রানের সূচনা করেছিলেন লিটন-রনি।

১২তম ওভারের শেষ বলে থামেন লিটন। হোয়াইটের বলে উইকেটরক্ষক লরকান টাকারকে ক্যাচ দিয়ে ৪১ বল খেলে ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৮৩ রান করে আউট হন লিটন। টি-টোয়েন্টিতে এটিই তার সেরা ইনিংস।

দলীয় ১৩৮ রানে লিটন ফেরার পর বাংলাদেশের রানের চাকা দ্রুত ঘুড়িয়েছেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ও তাওহিদ হৃদয়। তৃতীয় উইকেটে ২৯ বলে ৬১ রান তুলে বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহ এনে দেন তারা। নির্ধারিত ১৭ ওভারে ৩ উইকেটে ২০২ রান করে বাংলাদেশ। আগের ম্যাচেই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯ দশমিক ২ ওভারে ৫ উইকেটে ২০৭ রান করেছিলো বাংলাদেশ।

৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৪ বলে অপরাজিত ৩৮ রান করেন সাকিব। ১৩ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৪ রানে আউট হন হৃদয়। সাকিবের সাথে ২ রানে অপরাজিত থাকেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আয়ারল্যান্ডের হোয়াইট ২টি ও মার্ক অ্যাডায়ার ১টি উইকেট নেন।

১৭ ওভারে ২০৩ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। পেসার তাসকিনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে খালি হাতে ফিরেন আইরিশ অধিনায়ক পল স্টার্লিং।

তাসকিনের মত দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে উইকেট শিকার করেন সাকিবও। রনিকে ক্যাচ দিয়ে সাকিবকে প্রথম উইকেট দেন ৬ রান করা লরকান টাকার। নিজের দ্বিতীয় ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নেন সাকিব। রস অ্যাডায়ার ও গ্যারেথ ডেলানিকে ৬ রানে আউট করেন সাকিব।

নিজের তৃতীয় ওভারেও জোড়া আঘাত হানেন সাকিব। এবার জর্জ ডকরেল ২ ও হ্যারি টেক্টরকে ২২ রানে বিদায় দেন সাকিব। এতে ৩ ওভারে ১৪ রানে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন সাকিব। ১১৪ ম্যাচের টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয়বারের মত ইনিংসে ৫ উইকেট নিলেন সাকিব। ২০১৮ সালে মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব।

টেক্টরকে শিকার করে আন্তর্জাকি টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের পেসার টিম সাউদিকে সরিয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকার হন সাকিব। ১১৪ ম্যাচে সাকিবের উইকেট এখন ১৩৬টি, ১০৭ ম্যাচে সাউদি শিকার আছে ১৩৪ উইকেট।   

সাকিবের ঘূর্ণিতে ৪৩ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে আয়ারল্যান্ড। এতে দ্রুত গুটিয়ে যাবার শংকায় পড়ে আইরিশরা। কিন্তু ৭ নম্বরে ব্যাট হাতে নামা কার্টিস ক্যাম্ফার ঝড় তুলেন। ২৯ বলে হাফ-সেঞ্চুরি তুলে দলের রান ১শ পার করেন তিনি। ১৫তম ওভারে তাসকিনের বলে আউট হন ক্যাম্ফার। ৩টি করে চার-ছক্কায় ৩০ বলে ৫০ রান করেন তিনি।শেষ পর্যন্ত  ১৭ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৫ রানে শেষ হয়  আয়ারল্যান্ড ইনিংস। বাংলাদেশের সাকিব ২২ রানে ৫টি ও তাসকিন ২৮ রানে ৩টি উইকেট নেন।

আগামী ৩১ মার্চ একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি।

স্কোর কার্ড :

বাংলাদেশ ইনিংস:

লিটন ক টাকার ব হোয়াইট ৮৩

রনি ক মার্ক অ্যাডায়ার ব হোয়াইট ৪৪

সাকিব অপরাজিত ৩৮

হৃদয় ক রস অ্যাডায়ার ব মার্ক অ্যাডায়ার ২৪

শান্ত অপরাজিত ২

অতিরিক্ত (বা-১, লে বা-২, ও-৮) ১১

মোট (উইকেট, ওভার)

উইকেট পতন : ১/১২৪ (রনি), ২/১৩৮ (লিটন), ৩/৯৯ (হৃদয়)।

আয়ারল্যান্ড বোলিং :

ডেলানি : ৩-০-২১-০,

মার্ক অ্যাডায়ার : ৩.২-০-৪৮-১ (ও-২),

হুম : ৪-০-৩৫-১ (ও-১),

হ্যান্ড : ১-০-১৯-০,

হোয়াইট : ২-০-১৬-১ (ও-৩),

টেক্টর : ২-০-১৬-১ (ও-৩),

ক্যাম্ফার : ৩-০-৩৭-০ (ও-১)।

আয়ারল্যান্ড ইনিংস

স্টার্লিং ক লিটন ব তাসকিন ০

রস অ্যাডায়ার বোল্ড ব সাকিব ৬

টাকার ক রনি ব সাকিব ৬

টেক্টর বোল্ড ব সাকিব ২২

গ্যারেথ ডেলানি ক লিটন ব সাকিব ৬

ডকরেল এলবিডব্লু ব সাকিব ২

কার্টিস ক্যাম্ফার বোল্ড ব তাসকিন ৫০

মার্ক অ্যাডায়ার ক লিটন ব হাসান ৬

হ্যান্ড এলবিডব্লু ব তাসকিন ২

হুম অপরাজিত ২০

হোয়াইট অপরাজিত ২

অতিরিক্ত (বা-১, লে বা-১, ও-১) ৩

মোট (৯ উইকেট, ১৭ ওভার) ১২৫

উইকেট পতন : ১/০ (স্টার্লিং), ২/৭ (টাকার), ৩/২৬ (রস), ৪/৩২ (ডেলানি), ৫/৪২ (ডকরেল), ৬/৪৩ (টেক্টর), ৭/৭৪ (মার্ক অ্যাডায়ার), ৮/৮৬ (হ্যান্ড), ৯/১১৬ (ক্যাম্ফার),

বাংলাদেশ বোলিং :

তাসকিন : ৪-০-২৭-৩ (ও-১),

সাকিব : ৪-০-২২-৫।

নাসুম : ৩-০-৩৭-০,

মিরাজ : ১-০-৯-০,

হাসান : ২-০-৬-১ (ও-১),

মুস্তাফিজুর : ৩-০-২১-০ (ও-২),

ফল : বাংলাদেশ ৭৭ রানে জয়ী।

ম্যাচ সেরা : সাকিব আল হাসান(বাংলাদেশ)।

সিরিজ : তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল  বাংলাদেশ।