জুয়েল রহমান হবিগঞ্জ সংবাদদাতা: হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের সুনামধন্য ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইডিয়েল কলেজের নবনির্মিত ৪ তলা ভবনের উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত।
১০দিনের ভিতরে সকল অবৈধ দেশীয় অস্ত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে জমা দেওয়ার হুশিয়ারী-জেলা প্রশাসক
বিরামপুরে ভুট্টা তুলতেও ব্যস্ত কৃষকেরা
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ইরি ও বোরো ধান কাটা মাড়াইয়ের সাথে সাথে শুরু হয়েছে ভুট্টা ঘরে তোলারও ধুম। ক্ষেত থেকে ভুট্টা সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। ভুট্টার মাঠ জুড়ে চলছে নারী ও পুরষ শ্রমিকদের চরম কর্মব্যস্ততা।
জানা গেছে, বিরামপুর উপজেলায় ফসলের মাঠে ছেয়ে আছে ভুট্টা আর ভুট্টা ক্ষেত। অন্যান্য ফসল চাষের চেয়ে ভুট্টা চাষে খরচ ও পরিশ্রম কম হওয়ায় এ উপজেলায় অনেক কৃষকই ভুট্টা চাষ করেছেন। ইরি ও বোরো ধান চাষের পাশাপাশি ভুট্টা চাষে অধিক ফলন ও দাম ভালো প্রতি বছর ভুট্টা চাষ বাড়ছে।
উপজেলার পটুয়াকোল গ্রামের ভুট্টা চাষি নজরুল ইসলাম জানান, ধানের তুলনায় ভুট্টা চাষে খরচ কম, সেচও কম লাগে। তাই ভুট্টা চাষে দিন দিন কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।
আরেক চাষি কামরুজ্জামান বলেন, ভুট্টা চাষে পরিশ্রম কম লাগে। ধান চাষে পরিশ্রম হয় বেশি পরিশ্রমের তুলনায় ফলন হয় না। ধানের ফলন ভালো হলেও দাম নিয়ে চলে টালবাহানা। সে তুলনায় ভুট্টা চাষে লাভ বেশি।
বিরামপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, বিরামপুর উপজেলায় ১ হাজার ৭শ ২৫ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। এ বছর প্রতি হেষ্টর জমিতে সাড়ে ১০ মেট্রিক টন পর্যন্ত ভুট্টার ফলন হচ্ছে। বাজারে প্রতিমণ ভুট্টা বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা দরে।
বানিয়াচংয়ে ছেলেকে হত্যার দায়ে পিতা ও সৎভাই গ্রেফতার
ছেলের চাপাতি দিয়েই গলা কেটে ছেলেকে হত্যা করল বাবা
মুক্তাদির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টারঃ গাজীপুরে মাদকাসক্ত ছেলেকে হত্যার ঘটনায় ওমর ফারুক ওরফে সবুজ (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ছেলের কিনে আনা চাপাতি দিয়েই গলা কেটে হত্যা করেন বাবা।
রোববার (৭ মে) রাতে নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানাধীন কান্দুরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি মোহনগঞ্জ থানার কানুহারী এলাকার মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান ঢাকার ডাক কে বলেন, নিহতের মা মোছা দিলুয়ারা আক্তার ওরফে আঙ্গুরা সপরিবারে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন বানিয়ারচালা উত্তরপাড়া এলাকায় ভাড়ায় থাকতেন। তার বড় ছেলে আশরাফুল আলম (৩৩) একজন উচ্ছৃঙ্খল প্রকৃতির লোক। তিনি সাত-আটটি বিয়ে করেছেন। সব সময় নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে বাসায় এসে পুনরায় নেশার জন্য মা-বাবার কাছে টাকা দাবি করতেন। না দিলে বাবা-মাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন।
হাফিজুর রহমান আরও বলেন, ৫ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ছেলে আশরাফুল আলম স্থানীয় বাজার থেকে একটি ধারালো চাপাতি কিনে আনেন। বাসায় এসে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার জন্য তার বাবার কাছে ৭ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না চাইলে চাপাতি দিয়ে মা ও বাবাকে খুন করার হুমকি দেন। দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে স্ত্রীকে ডেকে ছেলেকে চাপাতি দিয়ে গলা কেটে হত্যার কথা জানান। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় দেলোয়ারা আক্তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলাটি পিবিআই ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সবুজকে গ্রেফতার করা হয়।
